হটক্রিম খাওয়ার উপকারিতা
রাসেল ইব্রাহীম
হটক্রিম একটি সম্পূর্ণ নতুন উষ্ণ ডেজার্ট,যা খেতে হুবহু আইসক্রিমের মতো ক্রিমি ও সুস্বাদু, কিন্তু ঠান্ডা নয়—কুসুম গরম অবস্থায় পরিবেশন করা হয়।
হটক্রিম যেসব উপকার করে–
১. ঠান্ডা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি
(টনসিল ও সাইনাস রক্ষা): সাধারণ আইসক্রিম খেলে অনেকের টনসিল ফুলে যায় বা সাইনাসের সমস্যা বাড়ে। হটক্রিম গরম অবস্থায় পরিবেশন করা হয় বলে এই ঝুঁকি থাকে কোল্ড অ্যালার্জি বান্ধব: শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক যাদের ঠান্ডা জিনিসে অ্যালার্জি আছে, তারা কোনো শারীরিক অস্বস্তি ছাড়াই এটি উপভোগ করতে পারেন।
২. পুষ্টিগুণ ও শক্তি বৃদ্ধি
(ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উৎস): এটি তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে তরল দুধ ও ডিমের ব্যবহার থাকায় এটি হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করেতাৎক্ষণিক শক্তি (Energy): এতে থাকা ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিন শরীরকে দ্রুত চাঙ্গা করে এবং ক্লান্তি দূর করে।
প্রোটিনের জোগান: ডিমের কুসুম এবং দুধের সংমিশ্রণ শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখে।
৩. মানসিক প্রশান্তি ও মেজাজ উন্নত করা (হ্যাপি হরমোন বৃদ্ধি): দুগ্ধজাত উপাদান থাকায় এটি মস্তিষ্কে ট্রিপটোফ্যান এবং সেরোটোনিন (হ্যাপি হরমোন) নিঃসরণে সহায়তা করে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করতে সাহায্য করে৪. ঘরে তৈরির কারণে স্বাস্থ্যসম্মত।
সংরক্ষণকারী মুক্ত: এটি শতভাগ ঘরোয়া উপায়ে তাজা উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। ফলে বাজারের আইসক্রিমের মতো এতে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে না
সতর্কতা: যেহেতু এতে কনডেন্সড মিল্ক বা চিনি এবং ফ্যাট থাকে, তাই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। তাছাড়া যেকোনো খাবারই পরিমিত খাওয়া উচিত।
লেখক: ফুড রিসার্চার ও শিক্ষক